ব্ল্যাক ফাঙ্গাস
বাংলাদেশ করোনার পরে প্রথমবারের মতো ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমিত হচ্ছে

* ধুলো বালি রয়েছে এমন জায়গা থেকে এড়িয়ে যাওয়া।* প্রাকৃতিক দুর্যোগে স্থাপনা পানিতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে সেসব স্থান থেকে এড়িয়ে চলা।
Hey, well come my side.if you have any questin, please talking me.i have already allow for you. Thank you.
বাংলাদেশ করোনার পরে প্রথমবারের মতো ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমিত হচ্ছে

* ধুলো বালি রয়েছে এমন জায়গা থেকে এড়িয়ে যাওয়া।* প্রাকৃতিক দুর্যোগে স্থাপনা পানিতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে সেসব স্থান থেকে এড়িয়ে চলা।
শুধু 90 না, আমি মনে করি আমাদের মধ্যে 99% লোকই এটি জানে না। তাই দুর্ভাগ্যবশত এটাই কারণ হয়ে দাঁড়ায় কোনো দুর্ঘটনার।
শেষ করে এরদোগান লেবুর শরবত আর তিলের পাউরুটি বেচতেন। পরিবারের তেমন বিত্ত ছিল না। সত্তরের দশকে হাই স্কুলে থাকাকালে এরদোগান জাতীয় সালভেশন পার্টি নামে একটি ইসলামী রাজনৈতিক যুব সংগঠনের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ইস্তাম্বুলের মারমারা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেন। ভালো ফুটবল খেলতেন। খেলাধুলা ছেড়ে ইস্তাম্বুলের পরিবহন কর্তৃপক্ষের একটি চাকরী নিলেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষের দাবি চাকরি করতে হলে গোঁফ কেটে ফেলো। শেষে চাকরিটাই ছাড়লেন।
জিয়াউর রহমানের পাঁচ বছরের শাসনে প্রতি মাঘের শেষে বর্ষন হয়েছিল কিনা তা কেউ হিসাব রাখেনি, তবে এই পাঁচ বছরে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়নি । অতি বর্ষনের বন্যা না, খরা না, জলোচ্ছাস না।
জেনে রেখ, মানুষের দেহের মধ্যে এক খন্ড মাংশ পিন্ড আছে, যখন তাহা সংশোধিত হয়, তখন সমগ্র দেহ সংশোধিত হয়ে যায়। আর যখন তা দুষিত হয় তখন সমগ্র দেহটাইত দুষিত হয়ে যায়। মনে রেখ ওটাই ক্বলব।” ( বোখারী ও মুসলিম শরীফ)।
কুকুর গভীর রাতে কান্না করার পিছনে অনেক গুলো কারণ দেখানো যায়।
এ অঞ্চলে হিজাব বলতে সাধারণত উরনা বা এ জাতীয় কাপড় দিয়ে মাথা ও বক্ষদেশ ঢাকা আর যারা নেকাব করতে চায় তাদের নেকাব করাকে বুঝায়। আমি শুরুতেই বলে রাখি আমি উরনা বা স্কার্ফ পরি ক্লাস ফাইভ থেকে আর বোরখা পরি এস এস সি'র পর থেকে। তবে আমার এমন অনেক পরিচিত আছে যারা হিজাব নেকাব তো দূরের কথা মাথায় কাপড়ও দেয় না যদিও এরা সবাই মুসলিম৷ আবার আমার এমন এক বন্ধু ছিল যে হিন্দু হয়েও সুন্দর করে হিজাব করতো। তাকে কারণ জিজ্ঞাসা করলে সে বলতো যে তার হিজাব করতে ভালো লাগে। তবে মুসলিম মেয়ে হয়েও যে যে কারণে একটা মেয়ে হিজাব পরিধান করে না তার কিছু কারণ তুলে ধরছি৷
পাকিস্তান থেকে পূর্ব পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করার পরিকল্পনা হয় ভারতে। এ ব্যাপারে শুধু ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র’এর কর্মকর্তারারই শুধু মুখ খুলেনি, মুখ খুলেছে বাংলাদেশের বহু নেতাও। যেমন এক কালের নেতা ও পরবর্তীতে জাতীয় লীগ নেতা জনাব অলি আহাদ বলেন, “১৯৬২ সালের নভেম্বর মাসে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থানকালে ময়মনসিংহ নিবাসী রাজবন্দীদ্বয় আব্দুর রহমান সিদ্দিকী ও আবু সৈয়দের নিকট হইতে আমি বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের বিষয়াদী অবগত হই।
ভারতে মুদ্রিত বিচ্ছিন্নতাবাদ সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন ময়মনসিংহ ও বিভিন্ন জেলায় বিতরণকালেই তাহারা গ্রেফতার হইয়াছিলেন।”-(অলি আহাদ)। ইতিহাসের নামে যে মিথ্যাচার ছড়ানো হয়েছে তা হল, পাকিস্তানের সেনাবাহিনীকে পরাজিত করে বাংলাদেশের সৃষ্টি মূলতঃ মুক্তিবাহিনীর অবদান। ভারতের নাম তারা সহজে মুখে আনতে চায় না। ইতিহাসের পাঠ্য পুস্তকে মুক্তিবাহিনীর সেক্টর কমান্ডারগণ কে কথায় লড়াই করেছেন সে বিবরণ থাকলেও ভারতীয় বাহিনীর হাজার হাজার সৈন্য কোথায় কি ভাবে যুদ্ধ করলো তার সামান্য বিবরণও নেই। বিবরণ নেই ভারতীয় বিমান ও নৌবাহিনীর ভূমিকার। স্কুলের পাঠ্যবইয়ে কোন উল্লেখ সে যুদ্ধে কতজন ভারতীয় সৈন্য প্রাণ দিয়েছে। মুক্তিবাহিনীর অবদান অবশ্যই আছে, তবে তারাই মূল নয়।
সত্য হলো, মুক্তিবাহিনীর পক্ষে ৯ মাসে পুরা বাংলাদেশ দুরে থাক একটি জেলা, একটি মহকুমা বা একটি থানাও মুক্ত করা সম্ভব হয়নি। মূল লড়াই লড়েছে ভারতীয় সেনা বাহিনী। তবে ভারত শুরু থেকেই একটি মুসলিম দেশ ভাঙ্গার অপরাধ নিজ কাঁধে নিতে চায়নি। কারণ এটি আন্তর্জাতিক আইনের খেলাপ।
তাছাড়া এমন কাজ তখন অন্যদেরও বৈধতা দিবে ভারত-ভাঙ্গার কাজে অংশ নেওয়ার। ইতিহাসে আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে এ ভয়ে নিজেদের অর্থ, অস্ত্র ও লোকবলদ্বারা পরিচালিত পাকিস্তান ভাঙ্গার এ যুদ্ধকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বলে চালানোর চেষ্টা করেছে আগে । আর এখন সরাসরি বলছে বাংলাদেশের সাথে পাকিস্তানের যুদ্ধ হয়নি বরং যুদ্ধ হয়েছে ভারত ও পাকিস্তানের মাঝে ১৯৯৭১ সালে!?? ভারত এমন একটি রাষ্ট্র যাদের মিথ্যাচার প্রতারণা ও মুসলিম বিদ্বেষী সাম্প্রদায়িক মনোভাব রক্তে মিশে আছে।