Wednesday, June 23, 2021

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস

বাংলাদেশ করোনার পরে প্রথমবারের মতো ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমিত হচ্ছে  

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস কি। 

এটি ছত্রাক জনিত রোগ। মিউকোর মানে একটি ছত্রাকের সংস্পর্শে এ রোগ বিস্তার লাভ করে। এর আবাস সাধারণ মাটি, ফলফলাদি, গাছপালা, সার এবং শাকসবজি তে। নাক, ও সুস্থ মানুষের শ্লেষ্মার মধ্যে ও স্বাভাবিকভাবে থাকতে পারে। এরা মস্তিষ্ক ও ফুসফুসে আক্রমণ করে। কোভিড ১৯ আক্রান্ত ব্যক্তিদের ফুসফুস দুর্বল থাকে তাই তারা এ রোগে আক্রমণ হওয়ার ঝুকি বেশি। 



তবে এটা সংক্রামক নয় তাই এটা নিয়ে ভীত হওয়ার দরকার নেই। 


ব্ল্যাক ফাঙ্গাস এর উপসর্গ 

#  নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং রক্ত  পড়া। 
#  চোখে ব্যথা এবং চোখ ফুলে যাওয়া। 
# চোখের পাতা ঝুলে যাওয়া।
# চোখে ঝাপসা দেখা, যা থেকে পরে দৃষ্টিশক্তি        চলে যেতে পারে। 
#  নাকের চামড়ার চারপাশে কালো ছোপ ছোপ        দাগ দেখা দেয়।




সুরক্ষা পাওয়া উপায় 

*  ধুলো বালি রয়েছে এমন জায়গা থেকে এড়িয়ে যাওয়া। 
* প্রাকৃতিক দুর্যোগে স্থাপনা পানিতে ক্ষতিগ্রস্থ           হয়েছে সেসব স্থান থেকে এড়িয়ে চলা। 
*  কোনো কারনে চামড়া কেটে গেলে তা যেন       ধুলো বালি না পড়ে খেয়াল রাখা। 

*  কোভিড ১৯ আক্রান্ত রোগীদের ডায়াবেটিস          নিয়ন্ত্রণ রাখা। 
* রোগীকে অক্সিজেন দেওয়ার সময় পরিচ্ছন্ন         থাকতে হবে। 
*  মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতন থাকতে হবে। 


Tuesday, June 22, 2021

পরীক্ষার খাতায় 33 এ পাশ, এই নিয়ম কেন???

পরীক্ষার খাতায় ৩৩ এ পাশ,এই নিয়ম  কেন? 

মজার ব্যাপার হলো ৩৩ নম্বর পাসমার্ক হিসেবে স্বীকৃত শুধু বাংলাদেশে নয়, ভারত ও পাকিস্তানেও শিক্ষার্থীদের পাশ করতে ৩৩ নম্বর পেতে হয়।


১৮৫৮ সালে উপমহাদেশে ১ম বারের মত মেট্রিকুলেশন পরীক্ষা চালু করা হয়। কিন্তু পাশ নম্বর কত হবে তা নির্ধারণ নিয়ে বোর্ড কতৃপক্ষ দ্বিধায় পড়ে যায়, এবং ব্রিটেনে কনসাল্টেশনের জন্য চিঠি লেখা হয়।

তখন কাল আমলে ব্রিটেনে স্থানীয় ছাত্রদের জন্য পাশের নম্বর ছিল ৬৫। তখন বুদ্ধি ও দক্ষতায় উপমহাদেশের মানুষ কে ইংরেজদের তুলনায় অর্ধেক বলে মনে করা হতো।মানে তারা মনে করত বাঙ্গালিরা মেধায় অনেক দূর্বল।


এর-ই ধারাবাহিকতায় মেট্রিকুলেশনের পাশ নম্বর ৬৫ এর অর্ধেক ৩২.৫ নির্ধারণ করা হয়। ১৮৫৮ সাল হতে ১৮৬১ সাল পর্যন্ত পাশ নম্বর ৩২.৫ ই ছিল। ১৮৬২ সালে তা গননার সুবিধার্থে বৃদ্ধি করে ৩৩ করা হয়। সেই থেকে এই ৩৩ নম্বর-ই চলছে। ফেডারেল পাকিস্তানেও ছিল, বাংলাদেশেও তাই চলছে। যুক্তরাষ্ট্রে M.I.T তে বিষয় ভেদে ৩৫ থেকে ৪৫ এমন কি বাংলাদেশেও ৩৩ মার্ক কে পাসমার্ক হিসেবে ধরা হয়।

লক্ষনীয় ও আজব ব্যাপার হল,তারপর প্রায় ১৬০ বছর পার হয়ে গেলেও কেউ কোনো প্রশ্ন তোলেননি, বা উপনিবেশক এই নিয়ম বদলের চেষ্টাও করেননি। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় ৩৩ নম্বরে উত্তীর্ন হওয়ার ধারাবাহিক ইতিহাস বদলায়নি।

সংগৃহীত